লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারে সন্ত্রাসী জিসান বাহিনীর সাথে পুলিশের বন্দুক যুদ্ধ ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ২ পুলিশ সহ আহত হয়েছে অন্তত ১০জন। বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে এ ঘটনা ঘটে।
এসময় পুলিশ ৬৯ রাউন্ড গুলিবর্ষণ এবং ৩ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করার কথা স্বীকার করেছে।
চন্দ্রগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বৃহংস্পতিবার গভীর রাতে চন্দ্রগঞ্জের দুর্দর্ষ পুলিশের তালিকাভুক্ত ও একাধিক মামলার আসামী সন্ত্রাসী জিসান সহ তার বাহিনীর ৪০/৫০ জন সদস্য অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ঈদের বাজারের দোকানীদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা তুলতে যায়।
গোফন সূত্রে চন্দ্রগঞ্চের পুলিশ খবর পেংং এ সময় পুলিশ খবর পেয়ে
জিসান বাহিনীকে গ্রেফতার করতে গেলে তারা পুলিশ কে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে তখন পুলিশ ও পাল্টা গুলি ছুঁড়লে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
প্রায় ব্যাপি এ বন্দুক যুদ্ধে আহত হয় পুলিশ কনষ্টেবল মোঃ সফিক ও মোঃ বোরহান।তাদেরকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপর দিকে, পুলিশের গুলিতে সন্ত্রাসীদের অন্তত ৮ জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদেরকে গোপনে নোয়াখালীর বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জিসান বাহিনীর সন্ত্রাসী মোঃ সুমন, মোঃ সবুজ ও মোঃ ফয়সালকে গ্রেফতার করে।
চন্দ্রগ্ঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল বাসার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ ৬৯ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করার শেষে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।
উল্লেখ্য এর আগে গত ১ মাস আগে ৫ লাখ টাকার চাঁদার দাবিতে ওই বাহিনী চ্ন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহসিন কে নিজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানে গুলি করে । পরে মহসিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা একটি হাসপাতালে মারা যায়। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ই-নিউজ/প্রতিনিধি/জেএ/১৫.৩০ঘ
পাঠকের মন্তব্য