যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তখনই দেশে সংঘাত সৃষ্টির ষড়যন্ত্র হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জন্মাষ্টমি ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা দেখা করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
২০০১ সালের মতো যেন কোনো সাম্প্রদায়িক শক্তি সংঘাতময় পরিস্থিতির তৈরি না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে আর কোনো সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না।
বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, এখানে সকলে ধর্ম-কর্মের সমান সুযোগ ও অধিকার রয়েছে।
এ সময় হিন্দু ধর্মাবলম্বী সংগঠনের নেতারা তাকে জন্মাষ্টমি ও পূজা উৎসবের আমন্ত্রণ জানিয়ে নিজেদের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা সমস্যাগুলোর সমাধানের আশ্বাস দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশের যে ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা যেন কোনো মহল নস্যাত করতে না পারে।
দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিঘ্নিত করতে ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে কোনো ধরনের সংঘাত সৃষ্টির সুযোগ দেয়া হবে না।
পূজা ও জন্মাষ্টমী উদযাপনে সরকারের ধারাবাহিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, দেশের উন্নয়নে সব ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে ধর্মীয় নেতাদের এক যোগে কাজ করতে হবে।
ই-নিউজ/অপি/জেএ/১৩.০০ঘ
পাঠকের মন্তব্য
Bangladeshi Newspaper
দেশের মানুষ কোনো রকম সাম্প্রদায়িক সংঘাতের সৃষ্টির চাইনা ।