রাস্তাঘাট মেরামতে গাফলতির জন্য শোকজ গুনতে হলো চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম ও কুমিল্লা সওজ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রুহুল আমিনকে।
শুক্রবার কুমিল্লা-চাঁদপুর ও ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়ক পরিদর্শনে গিয়ে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ দুই কর্মকর্তাকে শোকজ করেন ।
এদিকে, ঈদের আগেই সমস্যা সমাধানে নির্দেশ দিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী।
শুক্রবার সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশকে না পেয়ে যানজট খুলতে নিজেই নামেন যোগাযোগমন্ত্রী।
সেখানকার যাত্রীরা মন্ত্রীকে জানায়,মেঘনা-গোমতি সেতু হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চাঁদপুর রোড পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। যেখানে সেখানে গাড়িপার্কিং, ওভার টেকিং ও ট্রাফিক পুলিশের অব্যবস্থাপনার কারণে এ মহাসড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগে থাকে। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনাও নিত্যনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, সোজা করে যেতে থাকলে কোনো অসুবিধা নাই। ওভারটেক করলে জ্যাম লেগে যায়। আবার প্রতিদিন ২/৩ ঘণ্টা যানজটে বসে থাকতে হয় বলেও জানান অনেকে।
এরপর কুমিল্লার গৌরিপুর ও চাঁদপুরের মতলব-পেন্নাই সড়ক দেখতে যান তিনি। সড়কের ভাঙ্গাচোরা অবস্থা দেখে সেখানকার সওজের দুই কর্মকর্তাকে শোকজ করেন তিনি। এছাড়া আগামী ৭ দিনের মধ্যে ভাঙাচোরা অংশ মেরামত করতেও নির্দেশ দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘অনেকগুলো কঠিন সিদ্ধান্ত আমরা নিতে পারি না। এ ভোটের রাজনীতির জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বাধা দেয়। এখানে রাস্তায় অবৈধ গাড়ি চলে, কেউ কিছু বলেন না। সবাই সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য এগুলোকে ব্যবহার করতে দেন। কিন্তু এতে যে দুর্ঘটনা বাড়ছে, যানজট বাড়ছে এদিকে কারো খেয়াল নাই।’
গত কয়েক বছরের চেয়ে দেশের রাস্তাঘাট উন্নত হয়েছে জানিয়ে ঈদের আগেই ভাঙাচোরা রাস্তাগুলো চলাচলের উপযোগী করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
এর আগে মেঘনা-গোমতি সেতুর সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন যোগাযোগন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
উল্লেখ্য এর আগে কর্তব্য অবহেলার দায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহের রেলওয়ে এবং গাজীপুর বিআরটিসি অফিসের হর্তাকর্তাদের শোকজ গুনতে হয়েছিল যোগাযোগমন্ত্রীর কাছ থেকে।
ই-নিউজ/প্রতিনিধি/জেএ/১৭.২০ঘ
পাঠকের মন্তব্য