জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদকে নুহাশ পল্লীতে দাফনের দাবি জানিয়ে স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন বলেছেন, তার শেষ ইচ্ছা ছিল নুহাশ পল্লীতে সমাহিত হওয়ার।
সোমবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
এদিকে সকালে ছোট ভাই আহসান হাবিব সাংবাদিকদের জানান, হুমায়ূন আহমেদকে আজই বনানী অথবা মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে। তাদের মায়ের ইচ্ছা মিরপুর বা বনানীতে দাফন হোক।
শাওন বলেন, ‘অপারেশনের আগের রাতে তিনি আমাকে বলেছেন, আমার যদি কিছু হয় সবাই আমাকে নিয়ে টানাটানি করবে। কুসুম (শাওন), তুমি আমাকে নুহাশ পল্লীতে নিয়ে যেও। আমাকে নিয়ে টানাটানি করতে দিওনা।’
এছাড়া ‘নুহাশ পল্লীর প্রতিটি মাটি তার চেনা, অন্য কোথাও নিয়ে গেলে সে ভয় পাবে। অন্য কোথাও দাফন করা হলে আমার সন্তানদের বাবার আত্মা কষ্ট পাবে’, বলেও জানান তিনি।
সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ পৌঁছায়। একই বিমানে স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, দুই ছেলে নিষাদ ও নিনিত, শাওনের মা তহুরা আলী, বোন সেঁজুতি এম আফরোজ এবং পারিবারিক বন্ধু প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম পৌঁছান।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে হুমায়ূন আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ম্যানহাটন বেলভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। এ সময় তার পাশে ছিলেন স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, ছোট ভাই মুহাম্মদ জাফর ইকবাল এবং বন্ধু মাজহারুল ইসলামসহ আরো স্বজনরা।
মৃত্যুকালে এ নাট্যনির্মাতার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর।
পাঠকের মন্তব্য