বুধবার প্রকাশিত সব সূচকেই রেকর্ড গড়েছে এবারের এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল। বেড়েছে পাসের হার, সেই সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান অপরিবর্তিত থাকলেও শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যায় ঘটেছে ব্যাপক উন্নতি। এক নজরে এবারের ফলাফলের সাত পরিসংখ্যান-
বেড়েছে শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা
অন্যান্যবারের চায়তে এবছর মোট পরীক্ষার্থীর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাটাও বেড়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ৭ হাজার ৪৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছে তার মধ্যে শতভাগ পাস করেছে ১ হাজার ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। গতবছর এই শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৮৯২ টি সেই হিসেবে এবার শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৪৪ টি।
এবার ফলাফলে আটটি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ৮৬৭টি কলেজের মধ্যে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান ৫৬টি। গত বছর এ বোর্ডে ৮২৭টি কলেজের মধ্যে ৩৭টি শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান ছিল।
রাজশাহীতে ৬৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে হয়েছে ১২টি। গতবছর ৬৩৪টির মধ্যে ১৫টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করেছিল এ বোর্ড থেকে।
চট্টগ্রামের ১৯১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। গতবছর এ সংখ্যা ছিল ১৮৭টির মধ্যে সাত।
কুমিল্লা বোর্ডে ২৯৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস করেছে শিক্ষার্থীরা। ২০১১ সালের ফলাফলে ২৮৭টির মধ্যে সাতটি প্রতিষ্ঠানে ছিল এ সাফল্য।
দিনাজপুর বোর্ডে ৪৯৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাস করেছে। গতবছর এ সংখ্যা ছিল ৪৮৪টির মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠান।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ১৫৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। গত বছর এ বোর্ডে ১৪৩টির মধ্যে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ সাফল্য পান।
বরিশালে ২৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাস করেছেন। অন্যদিকে এ বোর্ডে গতবছর ২৪৭টির মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানের ছিল এ সাফল্য।
যশোর শিক্ষাবোর্ডে ৫০৬ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ পাশের সংখ্যা ৪টি। গতবছর যশোরে ৪৯৫টির মধ্যে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাস করেছিল।
এদিকে মাদ্রাসা বোর্ডে ২ হাজার ৬৫১ টি প্রতিষ্ঠানের ৭৬৭টি প্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছে। গত বছরও এ বোর্ডের সাফল্য ছিল সবচেয়ে বেশি।
গতবছর মাদ্রাসা বোর্ডে দুই হাজার ৬৩৪টি মাদ্রাসার মধ্যে শতভাগ পাস করেছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৬৮২টি।
কারিগরি বোর্ডে এক হাজার ৩৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৫৭টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। গত বছর এ বোর্ড থেকে এক হাজার ২৩২টি কলেজের মধ্যে ১২৮টিতে সবাই পাস করেছিল।
পাসের হার শূণ্য ২৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এ বছর শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান বাড়লেও একজনও পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও নেহায়েত কম না। এই সংখ্যা রয়ে গেছে রয়েছে গতবারের মত ২৪ এর ঘরে।
শূন্য পাসের হারের দিক থেকে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬টি, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৫টি, রাজশাহীর ৪টি, বরিশাল বোর্ডে ৩টি এবং যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১টি প্রতিষ্ঠানে কোন ছাত্রছাত্রীই এবার পাস করতে পারেনি।
তবে, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বোর্ডে ‘শূন্য পাসের’ কোনো প্রতিষ্ঠান নেই।
বিদেশ কেন্দ্রের পাসের হার ৯৪.৪১
এইচএসসি পরীক্ষায় বিদেশের পাঁচটি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ১৬৯ জন । মোট অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ১৭৯ জন । শতকরা ৯৪ দশমিক ৪১ শতাংশ ছাত্রছাত্রীই উত্তীর্ণ হয়েছে।
উত্তীর্ণদের মধ্যে জিপিএ-৫ ৩২ জন পেয়েছেন ।
এর মধ্যে কাতারের বাংলাদেশ মাশহুর-উল-হক মেমোরিয়াল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩০ শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে। আবুধাবীর শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩৬ জনের ৩৪ জন এবং জেদ্দার বাংলাদেশ ইন্টান্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৫৮ জনের মধ্যে ৫৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
এছাড়া রিয়াদের বাংলাদেশ ইন্টান্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৫২ জনের মধ্যে ৪৮ জন পাস করেছে।
তবে ত্রিপলির বাংলাদেশ কমিউনিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩ শিক্ষার্থীর কেউ পাস করতে পারেনি।
চলতি বছর উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬১ হাজার ১৬২ জন।
এবার পাসের হার সবচেয়ে এগিয়ে সিলেট বোর্ডে, ৮৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
এছাড়া ঢাকা বোর্ডে ৮১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭২ দশমিক ২৯ শতাংশ, বরিশালে ৬৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ, যশোরে ৬৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৫ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং রাজশাহী ৭৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
মাদ্রাসা বোর্ডে এবার পাসের হার ৯১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর কারিগরি বোর্ডে পাস করেছে ৮৪ দশমিক ৩২ শতাংশ শিক্ষার্থী।
এ বছর ১ এপ্রিল থেকে ৬ জুন সারা দেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৯ লাখ ২৬ হাজার ৮১৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ লাখ ২১ হাজার ৯৭৯ জন।
পাসের হার বেড়েছে তিন পার্বত্য জেলায়
এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দুগর্ম অঞ্চল তিন পার্বত্য জেলায় পাসের হার বেড়েছে। গড় হিসেব ছাড়াও রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পৃথক উত্তীর্ণের হার আগেরবারের চেয়ে বেশি।
এ বছর তিন জেলায় গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ২৬ শতাংশ। গতবার এ হার ছিল ৫৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। গড় পাসের হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
২০১০ সালে এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।
তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবানে মোট পাসের হার ৬৮ দশমিক ০৭ শতাংশ, গতবারে এ হার ছিল ৫৯ দশমিক ০২ শতাংশ। গতবারের চেয়ে পাসের হার ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ বেড়েছে। এ জেলায়
রাঙামাটিতে এবার পাসের হার ৫৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ , গতবার যা ছিল ৫০ দশমিক ৮২ শতাংশ । সেই পরিসংখ্যানে পাসের হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
এ ছাড়া খাগড়াছড়িতে এবার পাস করেছে ৬২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী, গতবারের চেয়ে যা ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেশি।
বুধবার প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ১২টি ক্যাডেট কলেজ থেকে মোট ৫৫৮ জন
পরীক্ষার্থীর মধ্যে শতকরা ৯৬ দশমিক ৫৯ ভাগ শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে। যার সংখ্যা ৫৩৯। বাকি ১৯ জন জিপিএ-৪ এর বেশি নম্বর পেয়ে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।
ক্যাডেট কলেজগুলোর জয় জয়কার
এবারের ফলাফ পর্যবেক্ষণে সারা দেশের ক্যাডেট কলেজগুলোর জয়জয়কার দেখা গেছে। দেশের মোট ১২টি ক্যাডেট কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। ঢাকা বোর্ড ছাড়া অন্য ৭টি বোর্ডেই প্রথম স্থান লাভ করেছে ক্যাডেট কলেজগুলো।
এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ৩য় অবস্থানে ও টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ ৭ম অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া অন্য সব বোর্ডেই প্রথম অবস্থানে রয়েছে ক্যাডেট কলেজগুলো।
ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ থেকে ৫০ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ৫ পেয়েছে। তবে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের ৪৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন মাত্র জিপিএ৫ পায়নি।
যশোর বোর্ডে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের স্থান রয়েছে সবার প্রথমে। এখানে ৪৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ৫ পেয়েছে।
রাজশাহী বোর্ডে প্রথম তিনটি অবস্থানই ক্যাডেট কলেজগুলোর দখলে। পাবনা ক্যাডেট কলেজ থেকে ৫০ জনের সবাই, জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজের ৪৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ও রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের ৪৪ জন পরিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ৫ পেয়েছে।
কুমিল্লা বোর্ডেও প্রথম দুটি কলেজ ক্যাডেটদের দখলে। ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে ৪৮ জনের মধ্যে ৪৭ জন ও কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের ৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪০ জন জিপিএ৫ পেয়েছে।
চট্টগ্রামের প্রথম স্থানে থাকা ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৪১ জনের ৩৮ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছে।
বরিশালের প্রথম স্থানে থাকা বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে ৪৫ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ৫ পেয়েছে।
সিলেট ক্যাডেট কলেজের ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪১ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। এ বোর্ডে প্রথমেই রয়েছে এ কলেজটি।
রংপুর সদরের রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ৫ পেয়েছে। দিনাজপুর বোর্ডে এ কলেজ প্রথম স্থানে রয়েছে।
কারিগরিতে পূর্ণ জিপিএ বেড়েছে ৩ গুণ
এ বছর ফলাফলে এইচএসসি (বিএম- ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) পরীক্ষায় গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এবছর বোর্ডে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৩২ শতাংশ।
এবার এ বোর্ড থেকে অংশ নেওয়া ৮৬ হাজার ৭০৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭৩ হাজার ১০৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ২১১ জন, যা গত বছরের চেয়ে ১ হাজার ৪৮৩ জন বেশি। গত বছর পাস করেছিলো ৫২ হাজার ৬৬২ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ৭২৮ জন।
এ গ্রেড প্রাপ্তদের সংখ্যা বেশি
এবছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বিগত বছরগুলোর চেয়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী জিপিএ ৪ থেকে ৪.৯৯ জিপিএ পেয়েছে। অর্থাৎ ‘এ’ গ্রেড প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যই সবচেয়ে বেশি।
মোট ৭ লাখ ২১ হাজার ৯৭৯ পাসের মধ্যে ২ লাখ ২১ হাজার ৬৩৯ জন জিপিএ ৪ থেকে ৪.৯৯ অর্থাৎ ‘এ’ গ্রেড পেয়েছে।
এবছর ‘এ’ গ্রেড পাওয়ার তালিকায় ঢাকা বোর্ডে ৫৩ হাজার ৬৯৪ জন, রাজশাহী বোর্ডে ২১ হাজার ২১৪ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ১০ হাজার ১৬৮ জন, যশোর বোর্ডে ২০ হাজার ২৭১ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮ হাজার ৯২৪ জন। বরিশাল বোর্ডে ৮ হাজার ৫৯৬ জন, সিলেট বোর্ডে ৬ হাজার ৩১৪ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ১৪ হাজার ৯০২ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ২৩ হাজার ৩৯ জন, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ৫১ হাজার ৯৩৭ জন এবং ঢাকা ডিআইবিএস’ এ ২ হাজার ৫৭৯ জন ‘এ’ গ্রেড পেয়েছে।
সবমিলিয়ে রেকর্ড গড়েই উচ্চশিক্ষার মহাসড়কে পা রাখতে যাচ্ছে ৭ লাখ ২১ হাজার ৯৭৯ নতুন দিনের কান্ডারি। শিক্ষামন্ত্রী তাদের অভয় দিয়ে বলেছেন, উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের কেউই আসনের অভাবে ভর্তি থেকে বঞ্চিত হবে না এবার। তাছাড়া ভর্তিপ্রক্রিয়ার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কাটিয়ে উঠতে নতুন ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বললেন শিক্ষামন্ত্রী আর মন্ত্রীর এই আশ্বাস বাণীতে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন প্রতিবছরের ন্যায় উচ্চশিক্ষা ভর্তি যুদ্ধে অবর্তীন হবার জন্য এসব যোদ্ধাদের খুব বেশি সময় অপেক্ষার প্রহর গুনতে হবে না।
ই-নিউজ/২১.৯০ঘ
পাঠকের মন্তব্য