ঢাবি সাংবাদিকতা বিভাগের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন

‘স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্র’ এই স্লোগানে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ২ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল সেমিনার, র‌্যালি, মেলা, ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

উৎসবের রঙে বৃহস্পতিবার বিভাগের করিডোর, কার্যালয়, সেমিনার কক্ষ ও টিএসসি-কে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। বেলুন, ফেস্টুন আর ঘন্টি ঝুলিয়ে ক্যাম্পাসে উৎসবের আবহ সৃষ্টি করা হয়।

সকালে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে বছরব্যাপী উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন।

অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে ফুলার রোড হয়ে কার্জন হল ঘুরে টিএসসিতে শেষ হয়। দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার ৫০ বছর পূর্তিতে বৃত্তি দেয়া হয়।

বিভাগের প্রভাষক সাইফুল হকের সঞ্চালনায় ও বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. আখতার সুলতানার সভাপতিত্বে বৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও বিভাগের অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত আলী খান, বিভাগের অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার দাস।

ভিসি আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ১৯৬২ সালে বিভাগটি প্রতিষ্ঠার পর ধীরে ধীরে ৫০ বছরে উপনীত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইতিহাস এবং বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার ইতিহাস এক ও অভিন্ন। এই বিভাগ শিক্ষার্থীদের সত্যনিষ্ঠ হতে শেখায়। সত্যের অন্বেষণ চালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, সত্যের আলোতে দেশকে আলোকিত করতে হবে।

অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত আলী খান বলেন, এই বিভাগটি ১৯৬২ সালের ২ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ শুধু বাংলাদেশের প্রথম নয় এই উপমহাদেশে প্রথম।

অনুষ্ঠানে বিএসএস পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ মার্জিয়া হোসেনকে ‘নভেরা দীপিতা স্মৃতি পুরস্কার’ এবং প্রথম বর্ষ সম্মান শ্রেণীতে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ জেনিনা ইসলামকে ‘তৌহিদুল আনোয়ার ও আলী হায়দার স্মৃতি বৃত্তি’ এবং ‘তাজিন স্মৃতি বৃত্তি’ প্রদান করা হয়।

ই-নিউজ/প্রতিনিধি/জেএ/২৩.৪০ঘ